তোমায় দেখলে হৃদয়ের অতল গভীরে
এক তীব্র উষ্ণ স্রোত বয়ে যায়।
তোমার সামান্য শংকা আমাকে যেন
গভীর খাদে নিক্ষেপ করে।
তোমার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যাথা
আমাকে পাহাড়সম অস্থিরতায় জর্জরিত করে।
তোমার কন্ঠের আদুরে কথা
আমাকে নিজের সম্পর্কে বেখেয়াল করে দেয়।
তোমার বাঁকা চোখের চাহনী
আমকে উন্মাদ বানায়।
তোমার সুদীর্ঘ চুলের মেলা
আমাকে প্রতিনিয়ত কাছে ডাকে।
তোমার উদ্বেগ
আমাকে অঝোরে কাঁদায়।
তোমার অব্যক্ত ভাষা
আমাকে বোবা বানায়।
তোমার কোমল হাতের মায়া
আমাকে দূরবল করে।
তোমার অসম্ভব ভালবাসায়
আমি হয়ে যায় অপরাধী।
তোমার হেঁটে চলা পথ
আমাকে পথ ভুলিয়ে দেয়।
তোমার ঐ পাগলপারা হাসিতে
আমি হয়ে যাই কবি।
তোমার আবাধ চুলের ঝাপটা
আমাকে করে বিদ্রোহী।
তোমার দেহের অঙ্গভঙ্গিমায়
আমি পাথর হয়ে যাই।
তোমার চোখের এক ফোঁটা অশ্রু
আমার হৃদয়েসাগরের উত্তাল ঢেউ হয়ে আছড়ে পড়ে।
তোমার কোন কিছু জয় করার প্রত্যয়
আমাকে সাফল্য এনে দেয়।
তোমার লুকোচুরি খেলা
আমাকেহারিয়ে যাওয়া অতীতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
তোমার ভয় পাওয়া
আমাকে বিপদে ফেলে দেয়।
তোমার হারিয়ে যাওয়া
আমাকে বার বার মেরে ফেলে।
তোমাকে খুঁজে পাওয়া
আমাকে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখায়।
তোমার দুঃচিন্তাগ্রস্থ মুখের অবয়ব
আমাকে ভাবানার রাজ্যে ভাসায়।
তোমার চোখ রাঙানো
আমাকে শাসন করে।
তোমার অনুরোধ ঝরে পড়া কন্ঠ
আমাকে সব বাঁধা ছিড়ে মুক্ত করে।
তোমার আমার প্রতি, প্রতিটা অপমান
আমাকে আরও আগ্রহী বানায়।
তোমার সতর্কতা
আমাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।
- ভ্যাগবন্ড ফরিদ